যাপনের ভাষা ~ ক্ষমতা // প্রতি ক্ষমতা

রাহুল গাঙ্গুলী

যাপনের ভাষা ~ ক্ষমতা // প্রতি ক্ষমতা
(১টি লজিক্যাল্ রি-à¦‡à¦¨à¦­à§‡à¦¸à§à¦Ÿà ¿à¦—à§‡à¦¶à¦¨)
------------------------------------------------------------ ---------
এইমাত্র বৈজয়ন্তীরঠসপরিবারে এসে পৌঁছাল, নতুন জায়গাটিতেॠ¤à¦§à¦°à¦¾ যাক, নতুন জায়গার নাম কলকাতা; যা এককালে কলিকাতা নামে পরিচিত à¦¹à¦¤à§‹à¥¤à¦‡à¦‚à¦°à¦¾à¦œà ¿à¦¤à§‡ বলা হতো ক্যালকাটাॠ¤à¦à¦–ানে, গড়পড়তা কেউই বৈজয়ন্তী'র ভাষা বোঝে না সেভাবে; কারণ ~ বৈজয়ন্তী এবং এই জায়গাটি ~ উভয়ের মাতৃভাষা আলাদা।বৈজৠন্তী'র ভাষা শুনে, নতুন জায়গার গড় জনগণ ~ কেবলমাত্র ফ্যালফ্যাল করে চেয়েই থাকেনা; এরা সজোরে ও সদর্পে প্রকাশ করে বৈজয়ন্তীরঠসপরিবারে কেউই, এই পৃথিবীর নয়, বরং ভিনগ্রহ থেকে আগত।অতএব, আপাতত প্রথমপ্রথম à¦‡à¦¶à¦¾à¦°à¦¾à¦‡à¦™à§à¦—à ¦¿à¦¤, তারপর টুকটাক করে নতুনভাষাটি কে অন্ততপক্ষৠ‡ কাজ চালানো গোছের, শিখে নেওয়ার চেষ্টা।আর তারপর, অর্ধশতাব্ঠী পার করে, বৈজয়ন্তী'রঠ¾ যখোন কলিকাতার আদি মানুষ ~ তখন তাদের উত্তর প্রজন্মের চলতি ভাষা ~ দুটি মাতৃভাষার সার্থক সমষ্টিগত পরিণতি।অবঠশ্যি, এখানে উল্লেখ করা উচিৎ, যে ~ বৈজয়ন্তী নামটি অনেক নিরাপদ এ দেশে বর্তমানে; অন্ততপক্ষৠ‡ নামটি "সালমা খাতুন" বা "আয়েশা পারমার"র থেকে।যেখা ¦¨à§‡, ভাষাপ্রবাহ ের মূল নিয়ন্ত্রক 'সভ্যতার অগ্রগতি' ফ্যাক্টরটঠছেড়ে, ক্ষমতাশীলৠ রূপায়িত 'নয়া-ধর্মীয় আচার ব্যবহার' ফ্যাক্টরটঠমুখ্য।অবশৠà¦¯ একথায় আসবো পরে, তার আগে ভাষার সংকরায়ন বিষয়টি নিয়ে কিছু আলোচনা।

আসলে, ভাষার শুদ্ধতা বলতে গেলে পুরো প্রক্রিয়াঠি না চাইলেও ওপরের মতোনই।আর তা কতোটা প্রকট / প্রচ্ছন্ন ~ সেটি একটা সহজ গাণিতিক সমীকরণের সাহায্যে বোঝানো যায় :: (ভাষা 'à§§') + (ভাষা '২') ⇌ (ভাষা 'X')।অর্থাৎ, ভাষার এই নতুন সংকরায়ন; কেবলমাত্র একাধিক ভাষার ভিতর অভ্যন্তরীঠ£ রাসায়নিক বিক্রিয়া নয় // সমান্তরালভ াবে বিক্রিয়াটঠর একটি স্থায়ী প্রভাব।যার ফলস্বরূপ, সংকরায়িত ভাষাটির ভিতর একাধিক বিক্রিয়ক ভাষার অস্তিত্ব ~ বিশ্লেষণ পরবর্তী, কখনো পাওয়া যাবে / কখনো নয়।ভাষার এই শুদ্ধতমো থাকার চরিত্র প্রবণতাটিঠে বুঝতে গেলে, আমাদের ফিরে যেতে হবে ভাষা সৃষ্টির উৎসে; অর্থাৎ আদিম মানুষ এবং ভাষার জন্মকথায়।ঠদিও, একথা মনে রাখা উচিৎ ~ এই ব্রহ্মান্ড ের অন্তর্গত যেকোনো উপাদানের নিজস্ব একটি অন্তর্মুখৠ€ ভাষা আছে; আর তা মৃত বা অধুনালুপ্ঠউপাদানাগুঠ²à¦¿à¦° à¦•à§à¦·à§‡à¦¤à§à¦°à§‡à¦“à ¥¤

ব্রহ্মান্ড ের এই মহাজাগতিক প্রকৃতি অন্তর্গত, যেকোনো উপাদানের নিজস্ব একটি ভাষা আছে।আর ভাষা হলো এক থেকে একাধিক যাপন চিহ্নের সমষ্টিগত প্রভাব।সহজ কথায়, একটি নির্দিষ্ট উপাদানের ভিতরে, তার সর্বসম্মতি ক্রমে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যজ নিত চিহ্নগুলিঠপ্রভাবসমষ্ টি হলো ভাষা।য্যাম োন ~ ওপরের গাণিতিক সমীকরণটি থেকে 'ভাষা à§§' হলো; একটি নির্দিষ্ট উপাদানের ভিতর 'à§§'চিহ্নিত বৈশিষ্ট্যঠুলি বা উপাদানটির ভিতর সর্বসম্মতি ক্রমে ব্যবহৃত বৈশিষ্ট্যঠুলির মাধ্যম ১চিহ্নিত // এরকমই ভাষা ২ থেকে আরেকটি উপাদানের বৈশিষ্ট্যঠুলির মাধ্যম ২চিহ্নিত।ঠবশ্য, এখানে উল্লেখিত উপাদানগুলঠ¿ কোনো মিশ্র নয়, বরং একেকটি মৌলিক একক ~ একথা আগে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।আঠ¦à¦¿à¦® মানুষ রচিত সভ্যতার নিরিখে একটি উদাহরণ নেওয়া যাক : "সূর্যের লাল আভা যতো গাঢ় হয়ে উঠছে, চারপাশের ঔজ্জ্বল্য বাড়ার সাথেসাথে জল হয়ে উঠছে বাষ্প"।এখঠনে, 'সূর্যের লাল আভা গাঢ়' একটি প্রবণতাময় চিহ্ন ~ আমরা বলতে পারি, এটি সূ্র্যের নিজস্ব ভাষা; 'চারপাশ উজ্জ্বল হয়ে উঠছে' ~ এটি একটি দৃশ্যমুহূঠ্তের ভাষা এবং 'জল হয়ে উঠছে বাষ্প' ~ এটি জলের ভাষা; আর এসবের যুগ্ম বিক্রিয়ায়, সংকরায়িত নতুন প্রবণতাময় চিহ্নটিকে যে ভাষায় সর্বসম্মতি ক্রমে প্রকাশ করা যাচ্ছে ~ তা হলো 'ক্রমবর্ধমঠ¾à¦¨ তাপ / উষ্ণতা'à¥¤à¦…à¦¬à ¶à§à¦¯ এই উদাহরণটিতৠও একটি অন্তর্নিহঠত প্রবণতা / চরিত্র রয়েছে ~ তা হলো, 'লাল' বিশেষ্যটি সূর্যের নিজস্ব ভাষা আদৌ নয় // বা 'বাষ্প' শব্দটিকে কখনোই বলা যায় না জলের নিজস্ব ভাষা ~ কারণ, তারা কখনোই এই কথাগুলির প্রত্যুত্ত র দিতে পারেনা।অতঠà¦¬, ভাষা একাধারে বিমূর্ত এবং অপরদিকে মূর্ত'à¦“à¥¤à¦†à¦°à §‹ সুন্দরভাবৠবলা যায়, ভাষা হলো বিমূর্ততাঠে একটি সম্ভাব্য মূর্ততায় প্রকাশের নির্দিষ্ট মাধ্যম।সহজ কথায় ~ প্রকৃতির বিভিন্ন বিমূর্ত ক্রিয়াবিকৠà¦°à¦¿à§Ÿà¦¾à¦—ুলি জনিত উপলব্ধিসমৠহকে নিজের মতো কোনো সর্বসম্মতি ক্রমে ব্যবহারিক চিহ্নগুলি দ্বারা প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা।আর উৎস থেকে একে বিবর্তনের পথে নিয়ে যাওয়ার দশায় প্রতীকী উৎসেচক হলো সৃষ্টির আদিম পর্ব থেকে ক্রমশঃ সভ্য হতে থাকা মানুষ।যদিঠমানুষের মতো বাকি উপাদানগুলঠ¿à¦°à¦“ এই প্রবণতা রয়েছে; যেহেতু মানুষ সৃষ্ট ভাষাটির বিবর্তন আপাতভাবে সবচেয়ে বেশী; অতএব আমাদের পরবর্তী আলাপচারীতঠ¾ এই বিষয়কেন্দৠà¦°à¦¿à¦•ই থাকবে।

এই অবস্থান থেকে একথা য্যামোন স্পষ্ট ~ ভাষার মৌলিক একক হিসেবে দুটি ইউনিট সমান্তরালভ াবে প্রধানত :: ধ্বনি এবং দৃশ্য; ত্যামোনই ~ আরেকটি প্রশ্ন উঠে আসে :: মানুষ কতৃক ভাষা সৃষ্টি ও সেটির বিবর্তন কি কেবলমাত্র যোগাযোগ বা à¦•à¦®à¦¿à¦‰à¦¨à¦¿à¦•à§‡à¦¶à ¦¨ সংক্রান্ত? না কী এই ঘটনা, তার একটি সুবিশেষ স্বতোঃপ্রঠোদিত প্রবণতা? প্রশ্নটি ওঠার নেপথ্যে স্বাভাবিক কারণ হলো এই যে ~ বর্তমান সময়ে চর্চিত তথ্য ও ব্যবহারিক জ্ঞানের দ্বন্দ্ব এবং বিবর্তনটি কিভাবে স্বাভাবিক প্রবণতাধার া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্র ও ক্ষমতাশীলৠ‡à¦° একটি মৌলিক হাতিয়ারে পরিণত হলো; এই বিষয়গুলির সূত্রপাত ও যাত্রা শুরু।

বিভিন্ন ইতিহাসবিদ/ঠªà§à¦°à¦¾à¦¤à¦¤à§à¦¤à§à¦¬à¦ ¬à¦¿à¦¦/ভাষাবিদ'à ¦¦à§‡à¦° অভিমত অনুযায়ী এবং কিছু যুক্তিগ্রঠ¾à¦¹à§à¦¯ অনুমানের ওপর নির্ভর করে, বিষয়টিকে এভাবে সাজানো যায় :: প্রকৃতিগত বিভিন্ন ঘটনাবলি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, আদিম মানুষ সর্বপ্রথম ধ্বনি নির্গত করার বায়োলজিক্ঠ¯à¦¾à¦² ফাংশনকৃত কৌশলটি শেখে।সে বুঝতে পারে ~ ধ্বনির প্রকাশ/প্রঠ•ার/প্রকৃতি/ চরিত্র/ইত্ঠ¯à¦¾à¦¦à¦¿à¥¤à¦¯à§à¦¯à¦¾à¦®à§ ‹à¦¨ ~ বজ্রপাত / উষ্ণতা পরিবর্তন / বৃষ্টিপাত / আলোর তীব্রতা ও দিনরাতের স্বাভাবিক পার্থক্য / ইত্যাদি।এঠনকি এই ঘটনাগুলি, প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানৠতার শ্রবণ প্রক্রিয়া দ্বারা অনুপ্রাণিঠ, এমন হওয়াটাও অস্বাভাবিঠনয়।আবার যেহেতু মানুষের সৃষ্টি প্রাণীজগৎৠ‡à¦° একটি আপাতপক্ষে সর্বশেষ স্তর; অতএব অন্যান্য বিপদসংকুলঠ—্রস্ত প্রাণীদের থেকে দূরে থাকা বা তাদের থেকে আত্মরক্ষাঠ° জন্য সর্বপ্রথম ব্যবহারিক অস্ত্র হিসেবে ধ্বনি প্রয়োগ ~ ভাষা ব্যবহারকাঠী মানুষের প্রথম প্রজন্মটির ক্ষেত্রে, এভাবেও হতে পারে।পরবরৠতী পর্যায়ের ব্যবহারিক দিকটি হলো ~ একে অপরের সাথে সংযোগ রক্ষা বা à¦¯à§‹à¦—à¦¾à¦¯à§‹à¦—à¦¬à§à ¦¯à¦¬à¦¸à§à¦¥à¦¾/কমিঠনিকেশন; যা ধ্বনির পূর্বে à¦‡à¦¶à¦¾à¦°à¦¾à¦‡à¦™à§à¦—à ¦¿à¦¤à§‡à¦° মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হতো।এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রথম ভূমিষ্ঠ শিশুটি পরিবেশের পরিবর্তনে কিভাবে প্রথম ধ্বনিটি নির্গত করে ~ যা বলা যেতে পারে তার পূর্ববর্তৠপ্রজন্মগুঠির সমষ্টিগত প্রতিবর্তঠ্রিয়ার ফল।ধ্বনি ব্যবহার করে à¦¯à§‹à¦—à¦¾à¦¯à§‹à¦—à¦¬à§à ¦¯à¦¬à¦¸à§à¦¥à¦¾à¦Ÿà¦¿à¦° প্রাথমিক রূপটির সবচেয়ে গুরুত্বপূঠ°à§à¦£ শর্ত হলো ~ দুপক্ষের সম্যক অস্তিত্ব।ঠিন্তু বহুক্ষেত্ঠ°à§‡ তা সম্ভব না হওয়ার ফলশ্রুতিতৠধ্বনি'র পরিবর্তে তার লিখিত রূপ ~ গুহালিপি।ঠদিও, পুরাতাত্ত্ বিক গুহালিপিগৠà¦²à¦¿à¦° প্রাথমিক পর্যায় ছিলো ~ অস্তিত্বেঠ° পরিবর্তে থাকা অদৃশ্য à¦¸à¦‚à¦•à§‡à¦¤à¦—à§à¦²à¦¿à ¦•ে দৃশ্যমান; সহজ কথায় এমন কিছু চিহ্ন লিপিবদ্ধ করে রাখা, যাতে করে পরবর্তী সময়ে এসে যেকেউ বুঝতে পারবে পূর্ববর্তৠকারুর অস্তিত্ব থাকার নিদর্শন।ধ্ বনির আরেকটি অপরিহার্যঠা হলো ~ সাময়িক মুহূর্তের প্রকাশ; অর্থাৎ যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বা বলা ভালো পরবর্তী সময়ের জন্য সংরক্ষিত না থাকা।বরং গুহালিপি সেই অপরিহার্যঠা'র শর্তটি সম্পূর্ণভঠবে পালন করতে পারে।

সুতরাং, কেবলমাত্র à¦¯à§‹à¦—à¦¾à¦¯à§‹à¦—à¦¬à§à ¦¯à¦¬à¦¸à§à¦¥à¦¾'ই নয়; বরং উপলব্ধির স্বতোঃপ্রঠোদিত প্রকাশের চরিত্রটিই ~ আদিম মানুষকে ভাষা à¦†à¦¬à¦¿à¦·à§à¦•à¦¾à¦°à§‡à ° প্রতি বেশ কয়েক কদম এগিয়ে দেবার পক্ষে গুরুত্বপূঠ°à§à¦£ এবং প্রয়োজনীয় à¦ªà¦¦à¦•à§à¦·à§‡à¦ªà¥¤à¦†à ° এখান থেকেই সম্ভবত 'তথ্য' বা 'ইনফরমেশন' বিষয়টির সম্ভবতো শুরু।অর্থঠৎ, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পূর্ববর্তৠপ্রজন্মের রেখে যাওয়া কোনো আদিম মুহূর্তের যাপনকথার ইতিহাস ~ পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তথ্য; যেখানে প্রকৃতির সাথে কাটানো স্বযাপনের প্রতিটি বর্তমান মুহূর্ত কাটানোর সম্যক শিক্ষাই হলো ব্যবহারিক জ্ঞান।এবার আসি, প্রশ্নটির পরবর্তী অংশে :: অর্থাৎ, ভাষা এবং ক্ষমতার প্রসঙ্গটিঠ¤à§‡à¥¤à¦®à¦¾à¦¨à§à¦· যেদিন থেকে গোষ্ঠীর ধারনা লাভ করলো, সেদিন থেকে সে চাইলো তার জীবনকে সুরক্ষিত করার জন্য ~ প্রকৃতি অন্তর্গত সম্পদগুলিঠব্যবহারের একচেটিয়া অধিকার।সে শুরু করলো সীমানা এবং তার দখলদারি।ডঠরউইনবাদ এবং ফ্রয়েতীয় মনস্তত্ত্ব দ্বারা, একথা প্রমাণ করাই যায় ~ একদিকে য্যামোন প্রকৃতির বিপদসংকুলঠ¤à¦¾à¦° মধ্যে যোগ্যতম হয়ে টিকে থাকা, মানুষের স্বাভাবিক / সহজাত বৈশিষ্ট্য। আরেকদিকে à¦¬à¦¹à§à¦—à§‹à¦·à§à¦ à§€à ° ভিতরে তার যোগ্যতম হয়ে টিকে থাকা, মানুষকে এগিয়ে নিয়ে গ্যাছে ক্ষমতার লোভের প্রতি; যদিও প্রাথমিকভঠবে তার কারণ অভাব হলেও // পরবর্তী সময়ে তা স্বভাবে পরিণত হওয়া।সহজ কথায় ~ একটি অঞ্চলে একাধিক গোষ্ঠী থাকলে, সবচেয়ে বলশালী গোষ্ঠীটির ঐ অঞ্চলের প্রাপ্ত যাবতীয় সুখসুবিধা ও প্রাকৃতিক সম্পদকে বাকিদের তুলনায় সবচেয়ে বেশী ভোগ করা; এবং ঐ বলশালী গোষ্ঠীর ভিতর সবচেয়ে বলশালী মানুষটির গোষ্ঠীপতি হওয়ার মাধ্যমে, ঐ গোষ্ঠী অধিকৃত সকল সম্পত্তিকৠবাকিদের তুলনায় সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত করার একচেটিয়া অধিকার।

একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দ্বারা অপর গোষ্ঠীর ওপর এই বল প্রদর্শন পরবর্তী পর্যায়ে সৃষ্টি করে ঔপনিবেশিক ধারনার ~ যার একটি অন্যতম শর্ত হলো অপর গোষ্ঠী ব্যবহৃত ভাষার ওপর বলশালী গোষ্ঠী ব্যবহৃত ভাষার নিয়ন্ত্রণ। যদিও এই বিষয়টি সবচেয়ে প্রকট হয়ে ওঠে গতো শতকের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে।কারণ হিসেবে, সরাসরি à¦”à¦ªà¦¨à¦¿à¦¬à§‡à¦¶à¦¿à¦•à ¤à¦¾ টিকিয়ে না রাখতে পারার পরিবর্তে অবশেষ হিসেবে ভাষা/ইত্যাঠ¦à¦¿ দ্বারা যতোটা সম্ভব ঔপনিবেশিক অঞ্চলটির মনস্তাত্ত্ বিক নিয়ন্ত্রণ। য্যামোন ধরা যাক, ব্রিটিশ আমাদের দেশ ছেড়ে গ্যাছে বহুদিন, তবুও আমরা সভ্যতার নাম দিয়ে তাদের তৈরি করা এলিট্ বা অভিজাত সম্প্রদায়ঠে অস্বীকার করতে পারিনি।কথঠটি প্রমাণ করা যায়; কিন্তু অতিরিক্ত দীর্ঘতার কারণে আপাতত সে আলোচনা এখানে রাখছি না।তবে একথা বলাই যায় ~ ফলশ্রুতি হিসেবে সর্বপ্রথম ভাষার দুটি স্তরের ঔপনিবেশিক ভিন্নতা সৃষ্টি :: মিশ্র/অশুদৠà¦§/চলিত ভাষা (যা ধ্বনি নিয়ন্ত্রিত কথ্য/মৌখিক ভাষা; সহজ কথায় ~ যে ভাষায় আমরা কথা বলি) এবং বিশুদ্ধ/লিঠিত ভাষা (ধ্বনি পরিস্রুত ও তার ব্যাকরণসমৠমত লিখিত রূপ; সহজ কথায় ~ যে ভাষায় আমরা লিখিত আদানপ্রদাঠে মধ্যে থাকি)à¥¤à¦à¦›à¦¾à§œà ¾à¦“, অভিজাত শ্রেণী কতৃক এলিট্ রুচিসম্পন্ ন নির্দিষ্ট ভাষার নিয়ন্ত্রণ, যা কে তথাকথিত সভ্য ভাষা বলা হয়ে // আঞ্চলিক শব্দার্থ বিশিষ্ট ভাষা ব্যবহারের প্রতি নিষেধ, ফলতঃ তাদের ক্রমশঃ অবলুপ্তি // আঞ্চলিক শব্দকোষ বা ব্যাকরণের অভাব // নিজস্ব রুচিসম্মত যা নয়, সেইসব ব্যবহার্যৠর প্রতি কটাক্ষ // ইত্যাদি।আঠ¸à¦²à§‡, ভাষা একটি মুহূর্ত যাপনের চলমান ধারাবাহিক ছবি; অতএব তা সেই যাপনটির সংষ্কৃতি এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উৎস; অতএব ~ ভাষার ওপর ক্ষমতাশীনৠ‡à¦° আঘাত তথা যাপন প্রক্রিয়াঠির ওপর আঘাত ~ যার অর্থ যাপনটিকে à¦…à¦¸à§à¦¬à§€à¦•à¦¾à¦°à§‡à ¦° মাধ্যমে, একটি জনজাতির সংষ্কৃতি ও ইতিহাসকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দেওয়া; তথা সেই জনজাতির শেকড়টিকে আঘাত করতে করতে জনজাতিটিকৠই একসময় মুছে ফেলার মনস্তত্ত্ব ।একথা খুবই à¦¸à§‚à¦•à§à¦·à¦­à¦¾à¦¬à§‡à ‡ ঔপনিবেশিক অবশেষ দ্বারা পরিচালিত।প à§à¦°à¦¸à¦™à§à¦—à¦•à§à¦°à ®à§‡ উদাহরণ হিসেবে বলতেই পারি হিন্দি ভাষাটির কথা // ইংরেজি ভাষাটির কথা ~ যাদের অস্তিত্ব শুরুই হয়েছে একাধিক আঞ্চলিক ভাষার ধ্বংসের মধ্যে দিয়ে।

যেকোনো ভাষাই ~ স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট নদীস্রোত প্রবাহের মতোই বিশুদ্ধ।যদ িও, এই প্রবাহটিকৠবহন করার দায়িত্ব মানুষের'à¦‡à¥¤à ¯à¦¦à¦¿, একাধিক ভাষা সমান্তরালভ াবে থাকে; তখোন ভাষার সংকরায়ন স্বাভাবিকঠাবেই ঘটে ~ যা কে আমরা স্বাভাবিকঠাবেই ভাষার বিবর্তন বলে থাকি।কিন্ঠ¤à§ এই বিবর্তনটিঠে স্বাভাবিক ভাবে না ঘটিয়ে, যদি স্বার্থান্ ধ কারনবশতঃ করা হয় ~ তা ইতিহাসের প্রতি অপমান // অন্য জাতিগোষ্ঠৠ€à¦° প্রতি আঘাত।অতএব চিরাচরিতভা বে বলা বিকাশ সংক্রান্ত সেই প্রশ্নটিই ওঠে ~ "বিকাশ কার স্বার্থে" বা "à¦¡à§‡à¦­à§‡à¦²à¦ªà¦®à§‡à ¨à§à¦Ÿ ফর হুম"।ঠিক যেরকমটি বর্তমান ভারতবর্ষে সর্বভারতীৠভাষার একতা বিষয়ক বলা হচ্ছে ~ "হিন্দী /হিন্দু/ হিন্দুস্তা ন; যেখানে একটি ধর্মান্ধ আবরণকৃত ইতিহাস দ্বারা মুছে ফেলা হচ্ছে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠৠ€à¦° ইতিহাসকে বা বলা ভালো বিকৃত করা হচ্ছে ভারতবর্ষেঠসার্বভৌমত্ ব বিষয়ক ইতিহাস এবং যার ফলশ্রুতিতৠআগামী সময়ে ~ শাসকের কাছে অন্যান্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠৠ€à¦° একপ্রকার বাধ্যতামূঠক আত্মসমর্পঠকেই সূচিত করার প্রবণতা।